কানাডায় মেডিকেলে উচ্চশিক্ষা

কানাডায় পড়তে যাবার আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করবেন, নাকি নন-ক্লিনিক্যাল বিষয়ে পড়বেন। কারণ প্র্যাকটিস করতে চাইলে লাইসেন্স পরীক্ষা দিয়ে তারপর আসতে হবে। কানাডায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী আছে ৩ ধরনের

*পিএইচডি

*মাস্টার্স এবং

*পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা

পিএইচডি

ভর্তির যোগ্যতা

মাস্টার্স ডিগ্রি, পাবলিকেশন এবং আইইএলটিএস নম্বর ৭-৭.৫।

কোর্স ডিউরেশন

২-৪ বছর। এটা অবশ্য রিসার্চের বিষয় এবং সুপারভাইজারের উপর নির্ভর করে।

ফান্ডিং:
পিএইচডি তে স্কলারশিপ বা ফান্ডিং পাওয়া যায়। কিছু ক্ষেত্রে টিউশন ফি একেবারেই থাকে না।

ভর্তি প্রক্রিয়া

স্টাডি গ্যাপ এখানে কোনো প্রভাব ফেলে না। আপনাকে নির্বাচন করা সম্পূর্ণ আপনার সুপারভাইজারের উপর নির্ভর করে। ভর্তির জন্য অনলাইন ইন্টারভিউ হয়। আপনি যদি ওনাকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, আপনি রিসার্চের জন্য যোগ্য, তাহলেই উনি আপনাকে অফার লেটার দিবেন।
পিএইচডি চলাকালীন সময়ে পার্ট টাইম জব করা যায়। ভার্সিটিতে টিচিং এসিস্ট্যান্টশিপ, রিসার্চ এসিসট্যান্টশিপ বা অন্য চাকরিও পাওয়া যায়। পিএইচডি কমপ্লিট হলে ওয়ার্ক পারমিট এবং PR  সুবিধা পাবেন।


মাস্টার্স

ভর্তির যোগ্যতা

১। BMDC (Bangladesh Medical & Dental Council) এর রেজিস্ট্রেশনসহ MBBS ডিগ্রী

২। IELTS স্কোর ৬.৫-৭.০

৩। কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো, না থাকলেও সমস্যা নেই।

কোর্স ডিউরেশন

২ বছর

টিউশন ফি

২০ হাজার থেকে ২৫০০০ কানাডিয়ান ডলার

ভর্তি প্রক্রিয়া

ইন্টার্নশিপের পর কিংবা ইন্টার্নশিপ চলাকালীন সময়ে আইইএলটিএস এ ভালো স্কোর করতে হবে। MBBS সনদ ও BMDC রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার পর নিজের জন্য ইউনিভার্সিটি ও কোর্স খুঁজে নিতে হবে। এরপর সেখানে আবেদন করতে হয়। আপনার প্রোফাইল পছন্দ হলে তারা আপনাকে অফার লেটার দিবে। তারপর আপনি ভিসার আবেদন করতে পারবেন

২ বছরের কোর্স সম্পন্ন করার পর ৩ বছর মেয়াদী ওয়ার্ক পারমিট পাবেন এবং PR এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

পোস্ট গ্রাজুয়েট বা ডিপ্লোমা

ভর্তির যোগ্যতা

১।BMDC এর রেজিস্ট্রেশনসহ MBBS ডিগ্রি

২। আইইএলটিএস স্কোর ৬-৬.৫।

৩। কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো, না থাকলেও সমস্যা নেই

কোর্স ডিউরেশনঃ ১-২ বছর

টিউশন ফিঃ ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার কানাডিয়ান ডলার

ভর্তি প্রক্রিয়া  

মাস্টার্স এর অনুরূপ। ইউনিভার্সিটির পাশাপাশি কিছু কলেজও পোস্ট গ্রাজুয়েট বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি দিয়ে থাকে। ১ বছরের কোর্স হলে ১ বছরের ওয়ার্ক পারমিট পাবেন আর ২ বছরের কোর্স হলে ৩ বছরের ওয়ার্ক পারমিট পাবেন।

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১। স্ট্রং স্পন্সর (1st blood)
২। স্পন্সরের শেষ ২ বছরের ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন
৩। স্পন্সরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
৪। C/A কর্তৃক স্পন্সরের সম্পত্তি মূল্যায়ন (পিএইচডি এর ক্ষেত্রে স্পন্সরকে শুধু থাকার খরচের সমান সম্পত্তি দেখাতে পারলেই হয়। সুতরাং সম্পত্তির পরিমাণ কম হলেও হয়।)
৫। অন্যান্য

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close